• ঢাকা
  • রবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৭:৫৪
শিরোনাম
হোম / সারাদেশ
রিপোর্টার : অনলাইন ডেস্ক

এনইউবিটি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন


এনইউবিটি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রিন্ট ভিউ

খুলনার ‘নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি’ (এনইউবিটি)-র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, পদস্থ কর্মকর্তাকে লাঞ্ছনা, জীবননাশের হুমকি এবং স্থায়ী ক্যাম্পাসের জমি ক্রয়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির   অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ ৩৬ মাস ধরে বেতন-ভাতা বঞ্চিত সাবেক এক কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও নিজের বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে এই অভিযোগ করেছেন।  

গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে আয়োজিত সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে এসব কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং, প্রমোশন অ্যান্ড ব্র্যান্ডিং বিভাগের সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর মোঃ মাহমুদ হাসান।  

তিনি জানান, তিনি বিগত ১ মে ২০১৬ তারিখ থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে উক্ত পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে দীর্ঘ ৩৬ মাস ধরে তাকে প্রাপ্য বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তার পাওনার মধ্যে রয়েছে—৩৬ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা ১৬ লাখ ৮১ হাজার ১২৮ টাকা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ৯ লাখ ১০,৬৩০ টাকা, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত কাজের যাতায়াত ও পারিশ্রমিক বাবদ ৭০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং অন্যান্য বকেয়া ২৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তিনি সর্বমোট ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫৮ টাকা পাবেন।  

অভিযোগে আরও বলা হয়, কোনো নিয়মকানুন, লিখিত কারণ দর্শানো বা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি না মেনেই গত ৫ মে তাকে জোরপূর্বক এক মাসের ছুটি দেওয়া হয়। ছুটি শেষে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে কাজের রিপোর্ট দাখিলপূর্বক পাওনা টাকা দাবি করলে, তা পরিশোধ না করে তাকে অপমান-অপদেস্থ করা হয়। পরবর্তীতে গত ৬ মে তাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লাঞ্ছিত করে ও জীবননাশের হুমকি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। সাবেক এই কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে একের পর এক দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইতোমধ্যে বকেয়া পাওনা পরিশোধ ও হুমকি প্রদানের প্রতিকার চেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট মোঃ হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমে প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ, রেজিস্ট্রার কে এম ইমাম আহসান এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ সেলিম খানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ) পাঠানো হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করা হলে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে ভুক্তভোগী জানান।  

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী কর্মকর্তা নর্দান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস ক্রয়ে দুর্নীতি তদন্তে নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সারাদেশ

আরও পড়ুন